মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে মারধর নিষিদ্ধ ও আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা না রাখার পরামর্শ

মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মারধর বা শারীরিক শাস্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশের ছয়টি কওমি মাদ্রাসা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মাদ্রাসায় সুরক্ষা কমিটি গঠন বা পুনর্গঠন করে সক্রিয় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্দেশনায় লাঠি, বেত বা কোনো যন্ত্র দিয়ে আঘাত করা, মাথা বা স্পর্শকাতর অঙ্গে আঘাত এবং দাগ, রক্তপাত বা হাড় ভাঙার মতো শাস্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি গালমন্দ, অপমান ও মানসিক নির্যাতনমূলক আচরণ থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

প্রতিটি মাদ্রাসার সুরক্ষা কমিটিকে অভিযোগ পাওয়ার পর সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অভিযোগের দ্রুত তদন্ত ও মাদ্রাসাগুলোর কার্যক্রম তদারকিতে বোর্ডভিত্তিক মনিটরিং সেল ও হটলাইন চালুরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আল-হাইআতুল উলয়ার পরিচালনা কমিটির সদস্য মুসলেহ উদ্দিন রাজু বিবিসি বাংলাকে বলেন, মহিলা মাদ্রাসাগুলোকে আবাসিক না রেখে অনাবাসিক করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক না রেখে শতভাগ নারী শিক্ষক রাখার বিষয়েও গাইডলাইন দেওয়া হচ্ছে।

আল-হাইআতুল উলয়া জানিয়েছে, নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের বিস্তারিত গাইডলাইন মাদ্রাসাগুলোতে পাঠানোর জন্য বোর্ডগুলোকে দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *