ছাত্রদলের কমিটি থমকে যাওয়ার নেপথ্যের কাহিনি

দুই বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নতুন নেতৃত্ব পায়নি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। বর্তমান কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ গত ১ মার্চ শেষ হয়েছে। এরপর কয়েক দফা নতুন কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি হলেও শেষ মুহূর্তে তা থেমে গেছে।

এমনকি রাকিব-নাছির কমিটির শীর্ষ নেতারা ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতের মধ্যে সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকা তৈরি, বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের পরও কেন ঘোষণা আসছে না—এ নিয়ে সংগঠনের ভেতরে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কমিটি ঘোষণার প্রক্রিয়া থেমে যাওয়ার পেছনে মূলত তরুণ বনাম অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সমীকরণ, সাম্প্রতিক ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের ফল, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা এবং সম্ভাব্য নেতাদের অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে যাচাই-বাছাইকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বৈঠকের পরই বদলে যায় সমীকরণ

ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, গত মাসে বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকের পরপরই নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। প্রাথমিকভাবে পাঁচ সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু বৈঠকের পরই নেতৃত্ব নির্বাচনের হিসাব-নিকাশে পরিবর্তন আসে।

সরকারে থাকা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য তারেক রহমানকে বর্তমান প্রজন্ম, বিশেষ করে ‘জেন-জি’ শিক্ষার্থীদের মানসিকতা, প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ছাত্রদলের নেতৃত্ব সাজানোর পরামর্শ দেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। এর পর থেকেই সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে থাকা অভিজ্ঞ নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, নাকি তুলনামূলক তরুণদের সামনে আনা হবে—এ প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

একদিকে পরীক্ষিতরা, অন্যদিকে নতুন প্রজন্ম

ছাত্রদলের নেতৃত্বে অপেক্ষাকৃত পুরোনো শিক্ষাবর্ষের নেতাদের প্রাধান্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা রয়েছে। বর্তমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বয়স ও শিক্ষাজীবনের ব্যবধান কমানো এবং নতুন প্রজন্মের ভাষা ও প্রত্যাশা বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে অপেক্ষাকৃত জুনিয়রদের সামনে আনার পক্ষে মত রয়েছে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে। অন্যদিকে, দীর্ঘ ১৫ বছরের রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে মাঠে থাকা নেতাদের বাদ দেওয়ার পক্ষেও আপত্তি রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার ও কারাবরণের শিকার হওয়া নেতাদের একটি অংশ ছাত্রলীগকে মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। একইসঙ্গে ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক কৌশল সম্পর্কেও তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে একেবারে জুনিয়র নেতৃত্বের হাতে সংগঠনের শীর্ষ দুই পদ তুলে দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই দুই অবস্থানের মধ্যে সমন্বয়ের পথ খোঁজা হচ্ছে। শীর্ষ দুই পদের একটিতে তুলনামূলক সিনিয়র এবং অন্যটিতে জুনিয়র কাউকে রাখার একটি চিন্তা আলোচনায় রয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

ছাত্রসংসদ নির্বাচনের ফলও বড় কারণ

এবারের নেতৃত্ব বাছাইকে শুধু নিয়মিত সাংগঠনিক পরিবর্তন হিসেবে দেখছে না বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়। বরং সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্রার্থীদের ভালো ফল এবং সেই তুলনায় ছাত্রদলের দুর্বল ফলও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের আলোচনায় এসেছে।

বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রদলের সাংগঠনিক অবস্থান কতটা শক্তিশালী করা যাবে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা কীভাবে বাড়ানো যাবে—এসব প্রশ্ন সামনে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট এক বিএনপি সূত্রের ভাষ্য, নতুন নেতৃত্ব এমন হতে হবে যারা শুধু দলীয় কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীদের সক্রিয় রাখতে পারবেন না; সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছেও ছাত্রদলকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারবেন। অর্থাৎ, নতুন কমিটির ক্ষেত্রে শুধু ‘দলের জন্য পরীক্ষিত’ হওয়া যথেষ্ট নয়—ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হয়ে উঠেছে।

তারেক রহমানের হাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি পদে কাকে আনা হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন। এখন মূল আলোচনা সাধারণ সম্পাদকসহ অন্য শীর্ষ পদগুলো নিয়ে। সেই মতে-অভিজ্ঞতা, আন্দোলনে ভূমিকা এবং নতুন প্রজন্মের সঙ্গে যোগাযোগ—এই তিনটি বিষয়কে সমন্বয় করে নেতৃত্ব সাজানোর চেষ্টা চলছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, সম্ভাব্য নেতাদের বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায় থেকে মতামত নেওয়া হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান নিজেই।

‘সিন্ডিকেট’ নয়, এবার ব্যক্তিগত যাচাই

অতীতে ছাত্রদলের কমিটি গঠনে সাবেক নেতাদের বিভিন্ন পক্ষ ও গ্রুপের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ছিল। এবারের প্রক্রিয়ায় অতীতের মতো কোনো নির্দিষ্ট ‘সিন্ডিকেট’ প্রভাব বিস্তার করছে—এমন তথ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। বরং সম্ভাব্য নেতাদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অতীত যাচাইয়ের বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি বড় অংশকে বিএনপির চেয়ারম্যান ব্যক্তিগতভাবে চেনেন। ফলে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সাবেক নেতার সুপারিশের ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে প্রত্যেকের রাজনৈতিক অতীত, আন্দোলনে ভূমিকা, সাংগঠনিক সক্ষমতা ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি যাচাই করা হচ্ছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

বিশেষ করে দীর্ঘ প্রতিকূল সময়ে কে সংগঠনের সঙ্গে ছিলেন, কে মামলা-গ্রেপ্তার কিংবা চাপের মধ্যেও সক্রিয় ছিলেন এবং জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে কার ভূমিকা কী ছিল—এসব বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে। একইসঙ্গে দেখা হচ্ছে শিক্ষাজীবন, একাডেমিক ফলাফল, পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়, সাংগঠনিক আচরণ এবং কোনো বিতর্ক বা অভিযোগ রয়েছে কি না।

বিপুল প্রার্থী ও পদবঞ্চিতদের বিদ্রোহের ভয়

শীর্ষ দুই বা চার পদে শত শত যোগ্য দাবিদার থাকে। একজনকে বাছাই করতে গিয়ে বিশাল এক অংশ অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে, যা সামলানো হাইকমান্ডের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়। নতুন কমিটি প্রকাশ পেলেই কার্যালয়ে ভাঙচুর, বিক্ষোভ কিংবা মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা এড়াতে হাইকমান্ড বারবার সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব করে।

অনুপ্রবেশ ঠেকাতেও সতর্কতা

নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্য সংগঠন থেকে এসে ছাত্রদলে জায়গা নেওয়া বা রাজনৈতিক পরিচয় গোপনের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। বিশেষ করে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র কাউকে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনার ক্ষেত্রে তার অতীত রাজনৈতিক পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করার পক্ষে মত রয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

কয়েকটি সূত্রে কিছু পদপ্রত্যাশীর বিরুদ্ধে অতীতে চাঁদাবাজি, অপহরণ, মারধর ও অস্ত্র ব্যবসার মতো গুরুতর অভিযোগের কথাও এসেছে। তবে এসব অভিযোগের বিস্তারিত প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে এসবকে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে নয়, যাচাইসাপেক্ষ অভিযোগ হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।

ব্যাচের হিসাবেও আসছে পরিবর্তন

নেতৃত্ব বাছাইয়ে শিক্ষাবর্ষও এবার বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের হওয়ায় তাঁর ব্যাচ এবং এর আগের কয়েকটি ব্যাচ এবার শীর্ষ নেতৃত্বের দৌড় থেকে বাদ পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি। আবার খুব জুনিয়রদেরও এখনই শীর্ষ দুই পদে আনার সম্ভাবনা কম।

একাধিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০৮-০৯ থেকে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের নেতাদের মধ্য থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বাছাইয়ের সম্ভাবনা বেশি। তবে এ বিষয়েও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

‘সুপার টু’ নাকি ‘সুপার ফাইভ’

কমিটি ঘোষণার কাঠামো নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। শুধু সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ‘সুপার টু’ ঘোষণা করা হবে, নাকি সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদ নিয়ে ‘সুপার ফাইভ’ ঘোষণা হবে—এ নিয়ে আলোচনা চলছে। এর আগে সাত সদস্যের ‘সুপার সেভেন’ দিয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রাথমিক কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে সেটি ২৬১ সদস্যে সম্প্রসারিত হয়। এবার প্রথম ধাপে কতজনকে নিয়ে নেতৃত্ব ঘোষণা করা হবে, সেটিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অংশ।

ঘোষণা কবে?

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের ভাষ্য, যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে ঘোষণা হতে পারে; তা না হলে সফর শেষে দেশে ফেরার পর কমিটি ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি। তবে শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনও দ্রুত নতুন কমিটি হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন কমিটি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান কমিটিই সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

শেষ মুহূর্তের হিসাব

ছাত্রদলের নতুন কমিটি থমকে যাওয়ার নেপথ্যে তাই একক কোনো কারণ নেই। পরীক্ষিত আন্দোলনকর্মীদের অভিজ্ঞতা, নতুন প্রজন্মের সঙ্গে যোগাযোগ, ক্যাম্পাসে গ্রহণযোগ্যতা, সাম্প্রতিক ছাত্রসংসদ নির্বাচনের ফল, শিক্ষাবর্ষ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা এবং সম্ভাব্য নেতাদের অতীত রাজনৈতিক পরিচয়—সবকিছুর সমন্বিত হিসাবই এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় শেষ মুহূর্তে সমীকরণ বদলাতেও পারে। আর সেই কারণেই একাধিকবার প্রস্তুতি নেওয়ার পরও আটকে আছে বহুল প্রতীক্ষিত নতুন কমিটির ঘোষণা। শেষ পর্যন্ত ‘সিনিয়র-জুনিয়র’ সমন্বয় কতটা হয়, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কারা আসেন এবং ‘সুপার টু’ নাকি ‘সুপার ফাইভ’ কাঠামোয় নতুন নেতৃত্বের যাত্রা শুরু হয়—সেদিকেই এখন নজর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের।

কারা আলোচনায়

সভাপতি পদে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, সহসভাপতি কাজী জিয়াউদ্দিন বাসিত, সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, সহসভাপতি ইজাজুল কবির রুয়েল, সহসভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক, তরিকুল ইসলাম তারিক, ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল ও শরীফ প্রধান শুভর নাম বিভিন্ন পর্যায়ের আলোচনায় রয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় থাকা নামের তালিকাও দীর্ঘ। অন্যতম শীর্ষ এই পদে কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, মোহাম্মদ আব্দুর রহিম রনি, তারেক হাসান মামুন, মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স, মাহমুদ ইসলাম কাজল, নাছির উদ্দিন শাওন, দ্বীন ইসলাম খান ও নাহিদুজ্জামান শিপন, গাজী সাদ্দাম হোসেন, ইব্রাহিম খলিল, মাসুদুর রহমান মাসুদ, তারেক হাসান মামুনের নাম রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *