স্বেচ্ছাসেবক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আলোচনায় মোশারেফ হোসেন মুশু
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দিয়ে যেকোন সময় ঘোষণা করা হতে পারে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি। সেই কমিটিতে জায়গা পেতে যাচ্ছেন সাবেক ও বর্তমান কমিটির প্রভাবশালী বেশ কয়েকজন নেতা। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কয়েকজন নেতাও আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম সাবেক ছাত্রনেতা মোশারেফ হোসেন মুশু।
সুপার ফাইভের গুরুত্বপূর্ণ পদে আলোচনায় থাকা স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোশারেফ হোসেন মুশু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের (সেশন ২০০০-২০০১) ইয়ার কমিটি আহ্বায়ক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ছিলেন।
এছাড়া, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ (রাজীব-আকরাম) কমিটির সহ বৃত্তি ও ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এর আগে, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ (জুয়েল-হাবিব) কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্যও ছিলেন তিনি। মোশারেফ হোসেন মুশু বিগত ওয়াল ইলেভেন থেকে শুরু করে হাসিনাবিরোধী প্রায় সকল আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। এতে হয়েছেন অনেক মামলার আসামি।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ একাধিক হাই প্রোফাইল নেতার কেস পার্টনার হয়ে অনেক দিন জেল খেটেছেন এবং ফেরারি জীবন-যাপন করেছেন।
শুধু নিজে নন তার পুরো পরিবার বিএনপি হওয়ায় সকলেই কমবেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তার গ্রামের বাড়িতে জমির ফসল, গবাদি পশু, বাগানের শস্য, পুকুরের মাছ লুট হয়েছে। এমনকি তার বড় বোনের ভিটেমাটি বেদখল হলে ঢাকা শহরে এসে বসবাস করতে বাধ্য হন।
২০১৫ সালের আন্দোলনের সময় মোশারেফ হোসেন মুশুর পল্টন কালভার্ট রোডের নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হারাতে হয়েছে। দূর্বিসহ জীবন-যাপন করেও বিএনপির আদর্শ থেকে এক চুলও নড়েননি। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আওয়ামী নির্যাতনে স্ট্রোক করা বাবাকে হারিয়েছেন ২০২০ সালে। তবুও দমে যাননি, দলের আদর্শ আর রাজনীতি নিয়ে পড়ে রয়েছেন।
তিনি ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের বিগত কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক। এবারও সুপার ফাইভের গুরুত্বপূর্ণ পদে আলোচনায় রয়েছেন তিনি। তবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পদে তার নাম শুনা যাচ্ছে বলে নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।

