স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় মামুন বিল্লাহ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তুতি চলছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটির পরিবর্তে ‘সুপার ফাইভ’ কাঠামোয় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গণে আলোচনা রয়েছে। সম্ভাব্য সেই কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় থাকা নেতাদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি মো. মামুন বিল্লাহ।
দলীয় একাধিক সূত্র জানায়, আসন্ন কমিটিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ, অভিজ্ঞতা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব বিবেচনায় কয়েকজন সাবেক ছাত্রনেতার নাম আলোচনায় এসেছে, যার মধ্যে মামুন বিল্লাহও রয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মামুন বিল্লাহ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের (রাজীব-আকরাম কমিটি) সহ-সভাপতি এবং (জুয়েল-হাবিব কমিটি) সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি এবং এর আগে একই ইউনিটের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বেচ্ছাসেবক দলের ‘সুপার ফাইভ’ কমিটিতে জায়গা পেতে যাচ্ছেন এমন কয়েকজনকে ডেকে বিএনপির হাইকমান্ড কথাও বলেছেন। তবে এবার বিগত দিনে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি দেখে তিনটি তালিকা করা হয়েছে। সেই তালিকা থেকেই আসন্ন কমিটিতে পদ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দলটির একটি সূত্র। এছাড়া, তরুণ ও অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহসহ সব অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে চায় বিএনপির হাইকমান্ড।
বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ প্রত্যাশী নেতাদের বিগত দিনের আমলনামা দেখে বিএনপির হাইকমান্ড এবার এ, বি, সি ক্যাটগরিতে ভাগ করে তিনটি তালিকা করেছেন। সেই তালিকায় বিগত দিনে আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা নেতারা রয়েছেন ‘এ’ ক্যাটাগরি তালিকায়। তাদের সুপার ফাইভে পদপ্রাপ্তি প্রায় নিশ্চিত। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে চলমান গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পদ প্রত্যাশী ও তাদের পরিবারের কোনো গুরুতর অনিয়ম পেলে তাকে বাদ দিয়ে ‘বি’ তালিকার নেতা ওই পদে স্থান পাবেন। একইভাবে ‘বি’ তালিকার নেতা যদি কোনো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে বাদ পড়েন তাহলে ‘সি’ তালিকার নেতাকে দিয়ে সুপার ফাইভ কমিটি ঘোষণা করা হবে।

