বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন। (পুরনো ছবি)

নিউজ ডেস্ক: বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশারাক হোসেন বলেছেন, আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, এই আন্দোলন-সংগ্রাম সফল করতে এই রক্ষীবাহিনীর পতন ঘটাতে প্রথম বুলেটটা নেওয়ার জন্য আমার বুক পেতে দেবো। পেছনের দিক দিয়ে পালিয়ে যাবো না।

বুধবার (১০ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর খিলগাঁও, তালতলা মার্কেটের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন, খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারেক রহমানের নামে সাজানো মামলা ও সাজা প্রত্যাহার এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আওয়ালের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, চেয়াপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, বরিশালের মজিবর রহমান সরোয়ার, খুলনার নজরুল ইসলাম মঞ্জু, রাজশাহীর মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, চট্টগ্রামের শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

ইশারাক হোসেন বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে এসে আমি আপনাদের বলতে চাই, তরুণ প্রজন্ম জেগে উঠেছে। আমরা এই সাম্রাজ্যবাদী শক্তি মেনে নেব না। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও আমরা নিজেদের মধ্যে মারামারি, ক্ষমতায় যাওয়ার যে একটা লালসা সেখান থেকে বিবাদ, বিভাজন, বিরোধ, মারামারি, হানাহানি করছি। এখানে লাভ কার হচ্ছে?

গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ও অভিবক্ত ঢাকা সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকাপুত্র ইশরাক হোসেন আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমি আজও লজ্জিত। কারণ আমরা নতুন প্রজন্ম এখনো ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র খুঁজে বেড়াই।

তিনি বলেন, আমাদের আজকের গণতন্ত্রের এই সংগ্রামে প্রায় এক হাজার নেতা-কর্মী গুম-খুনের শিকার হয়েছে। আমাদের সিলেটের জনপ্রিয় নেতা ইলিয়াস আলী, ঢাকার কমিশনার চৌধুরী আলমসহ অনেকে গুমের শিকার হন। ২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যে আন্দোলন করেছিল তাতে ২৭ জন নেতাকর্মীকে গুম করে ফেলা হয়েছিল। তাদের লাশটি পর্যন্ত আজও পাওয়া যায়নি।