সোমবার (১ মার্চ) বিকেল ৩টায় রাজধানীর হোটেল লেকশোরে বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটি অংশ। ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক: সুবর্ণজয়ন্তীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিতর্কমুক্ত রেখে একে সর্বজনীন রূপ দিতে ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী দল জামায়াতকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। তাদের দাওয়াত না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল বিএনপির হাইকমান্ডের। তাই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আয়োজনে দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী জামায়াতকে রাখেনি বিএনপি।

সোমবার (১ মার্চ) বিকেল ৩টায় রাজধানীর হোটেল লেকশোরে দলটির সুবর্ণজয়ন্তীর বছরব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতে ২০ দলীয় জোটের শরিকরা অংশ নিলেও দেখা যায়নি জামায়াতের কোনো নেতাকে। তবে বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২০ দলীয় জোটের শরিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জোটনেতা মোস্তফা জামাল হায়দার, সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (বীরপ্রতীক), রেদোয়ান আহমেদ, আহমেদ আবদুল কাদের, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, খন্দকার লুৎফর রহমান, সাইফুদ্দিন মনি, সাহাদাত হোসেন সেলিম, আজহারুল ইসলাম, সৈয়দ এহসানুল হুদা, আবু তাহের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, ফারুক রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা।

এদিকে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সুবর্ণজয়ন্তীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিতর্কমুক্ত রেখে একে সর্বজনীন রূপ দিতে ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী দল জামায়াতকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। তাদের দাওয়াত না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল বিএনপির হাইকমান্ডের।

এ প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বলেন, আজকের বিএনপির সুবর্ণজয়ন্তীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জামায়াতের কোনো নেতা অংশ নেননি।

জামায়াতের কোনো নেতার অংশগ্রহণ না করা প্রসঙ্গে বিএনপির স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তীর উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম বলেন, আমরা জামায়াতকে অনুষ্ঠানের দাওয়াত দেইনি। তাই তারা আসেনি।