নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপি দেখেছে তাদের কোনো ভোট নেই, জনভিত্তি নেই। তাই তারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার পাঁয়তারা করছে।

বুধবার (৩ মার্চ) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যদের পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তার সরকারি বাসভবন থেকে যুক্ত হন।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির সদস্য সচিব সুজিত রায় নন্দীর সঞ্চালনায় পরিচিতিসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী এমপি, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতান, শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা প্রমুখ।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করতে বিদ্রোহী প্রার্থীদের ছাড় দেয়া হচ্ছে, এ বিষয়ে দু-একটি মিডিয়ায় যে সংবাদ প্রচার হয়েছে তা সত্য নয়। আওয়ামী লীগ এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এমনকি আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী কোনো সভায়ও এ ধরনের সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি আরো বলেন, অনেকেই উপকমিটিতে নাম লিখিয়ে আর খোঁজখবর পাওয়া যায় না। উপকমিটির সদস্য পদে নাম লিখিয়ে কেউ কেউ কার্ড ছাপিয়ে নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবার একজন বিভিন্ন কমিটিতে নাম লেখান, তাদের নাম সব কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির সমাবেশের কারণে বাসমালিকরা জ্বালাও-পোড়াওয়ের ভয়ে বাস চালানো বন্ধ করে দেয়। এতে সরকারের কোনো হাত নেই। বিএনপি লাঠিসোটা দিয়ে পুলিশকে পেটাচ্ছে এটি জনগণ দেখছে। এটিই বিএনপির রাজনীতি। বিএনপি তাদের নেতিবাচক রাজনীতির ধারা থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি।