ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী: ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক: ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌ-বন্দর ব্যবহারে ভারত অত্যন্ত আগ্রহী। এ জন্য বিদ্যমান নৌপথের বেশকিছু জায়গায় নাব্যতা বৃদ্ধিতে ড্রেজিং করা খুবই জরুরি।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রাহমান-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা চেম্বারের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ঢাকা চেম্বার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় ডিসিসিআই’র পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশে উৎপাদিত ভোজ্যতেল অথবা আমাদানিকৃত ভোজ্যতেলের কমপক্ষে ২০ শতাংশ মূল্য সংযোজন করা সম্ভব হলে, তা ভারতে রফতানি করতে কোনও বাধা নেই। তিনি বলেন, বিশেষ করে বাংলাদেশের ভোগ্যপণ্যসহ অন্যান্য পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে বিএসটিআই’র সনদ-এর সত্যয়ন যেন ভারতে গ্রহণযোগ্য হয়, তা নিয়ে ভারত সরকার কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন এ বিষয়ে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব হবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, সমুদ্র পথে ঢাকা থেকে দিল্লিতে পণ্য পরিবহনের খরচ অত্যন্ত বেশি, যা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তা কমিয়ে আনতে দুদেশের ব্যবসায়ী সমাজকে নিজ নিজ দেশের সরকারের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দেন তিনি।

ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ভারত এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৬.৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ এসেছে প্রায় ৬৪৫.৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি দুদেশের বাণিজ্য ব্যবধান কমাতে বাংলাদেশ হতে ওভেন গার্মেন্টস, নিটওয়্যার, টেক্সটাইল ফাইবার, হোম টেক্সটাইল প্রভৃতি পণ্য আরও বেশি হারে আমদানির জন্য ভারতীয় উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, সরকার দেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও নানাবিধ সুবিধা সম্বলিত বিনিয়োগ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে এবং এ ধরনের সুযোগ গ্রহণ করে অটোমোবাইল, তথ্য-প্রযুক্তি, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পুঁজিবাজার, ওষুধ, খাদ্য ও কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং হালকা প্রকৌশল প্রভৃতি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।